জাহাজে ভ্রমণ করার সময় সাইয়েদ কুতুবের এক ঐতিহাসিক বিরল একটি ঘটনাঃ
১৯৪৮ সালের ৩রা নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তিনি আমেরিকাতে গমন করেন।নে মনে স্থির করলেন আমেরিকাতে গিয়ে দাওয়াতের কাজ করবেন।
সাইয়েদ কুতুব শহীদ(রাহঃ) সমুদ্র পথে আমেরিকাতে যাচ্ছেন। সাগরের ঢেউয়ের তালে তালে জাহাজ চলছে। পানির কল কল শব্দে তিনি আল্লাহর সৃষ্টির নিয়ে ভাবছেন। নিজের মনের মধ্যে বার বার একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে- আমি কি সেই আমেরিকাতে যাচ্ছি, যারা খাওয়া ও ঘুমকে যথেষ্ট মনে করে। যারা ভোগ বিলাসে মত্ত থাকে! যাদের জীবনে বৈধ কি অবৈধ এর কোন সীমারেখা নেই। তিনি ম
আল্লাহর এই বান্দা জাহাজেই পরীক্ষার সম্মুখীন হলেন। সাইয়েদ কুতুব তার কক্ষে অবস্থান করছেন। বাহির থেকে কে যেন দরজায় নক করছে। তিনি দরজা খুলেই চমকে উঠলেন। এক সুন্দরী রূপসী যুবতী নগ্নপ্রায় দেহে তার সামনে দন্ডায়মান। সাইয়েদ কুতুবকে সুন্দরী রমনী বললেন। জনাব,আমি কি আজ রাতে আপনার রুমের মেহমান হতে পারি? সাইয়েদ কুতুব জবাব দিলেন, দুঃখিত। রুমে একটিই খাট। আর তা একজনের জন্যই নির্ধারিত। কুতুবের এই কথা শুনার পর যুবতী বলল, খাট এত প্রশস্ত যে, এতে দুজনই থাকা যায়। যুবতী ঘরে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো। আল্লাহর ভয়ে ভীত সাইয়েদের মন যুবতীর দিকে একটুও টলেনি। তিনি দরজা বন্ধ করে দিলেন। কু-প্রবৃত্তির উপর নৈতিকতার এর চেয়ে বড় জয় আর কি হতে পারে? চাওয়া পাওয়ার এই দুনিয়াতে নারীর প্রতি অবৈধ লোভ লালসা জন্মায় না কেবল দ্বীনদার পরহেজগার মুমিনের।
Comments
Post a Comment